আপডেট প্রতিনিধি, কৈলাসহর, ২৮ জুন || ভাগ্নের সঙ্গে স্ত্রী ও শিশু কন্যার অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি—এই অভিযোগ নিয়ে কৈলাসহর মহিলা থানায় অভিযোগ জানালেন জলাই এলাকার বাসিন্দা শংকর রবিদাস।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শংকর রবিদাস গত পাঁচ বছর আগে মূর্তিছড়া এলাকার বাসিন্দা সরস্বতী রবিদাসকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। বর্তমানে তাঁদের চার বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। শংকর পেশায় আগরতলার আইজিএম হাসপাতালে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত।
অভিযোগ, শংকরের দূর সম্পর্কের ভাগ্নে সঞ্জয় রবিদাস প্রায়শই তাঁদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং পরিবারের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এমনকি স্ত্রী সরস্বতী রবিদাসের সঙ্গেও ভাগ্নের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে বলে দাবি করেন শংকর।
গতকাল সরস্বতী জানান, তাঁর মা অসুস্থ, তাই তিনি কন্যাসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাপের বাড়ি যাচ্ছেন। এরপর থেকেই তাঁদের আর খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে শংকর জানতে পারেন, স্ত্রী সরস্বতী তাঁর ভাগ্নে সঞ্জয়কে সঙ্গে নিয়েই শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছেন এবং তারপর থেকেই তাঁদের দুজনের মোবাইল সুইচ অফ রয়েছে।
শংকরের অভিযোগ, তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরাও এই ঘটনায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মদত দিয়েছেন। বহু খোঁজাখুঁজির পরও স্ত্রীর ও সন্তানের কোনো খোঁজ না পেয়ে অবশেষে তিনি শনিবার দুপুরে কৈলাসহর মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বর্তমানে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন শংকর রবিদাস। তাঁর আকুতি, প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরিয়ে আনুক। এদিকে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কতটা তৎপর হয়ে নিখোঁজ মা ও মেয়ের সন্ধানে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
স্থানীয় মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এই ঘটনা ঘিরে।
