গোপাল সিং, খোয়াই, ০৮ সেপ্টেম্বর || শারদোৎসবের আগে একের পর এক অবৈধ কাপড় পুলিশের জালে ধরা পড়ছে। এর মধ্যেই সামনে এসেছে এক বিতর্কিত ঘটনা। খোয়াই মহিলা থানার পুলিশের বিরাট এক সাফল্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
খবর অনুযায়ী, খোয়াই থানাধীন সুভাষপার্ক সংলগ্ন এলাকায় হানা দিয়ে অবৈধ কাপড় বোঝাই একটি টমটম আটক করে মহিলা থানার পুলিশ। আটক করা হয় টমটম চালক গোপালকৃষ্ণ ঋষিদাস, যার বাড়ি ওই এলাকাতেই। সাদা পোশাকে মহিলা পুলিশ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া কাপড় ও টমটম বর্তমানে মহিলা থানায় আটক রাখা হয়েছে। অভিযানে সাফল্যের পরপরই টমটম চালক গোপালকৃষ্ণ ঋষিদাস অদ্ভুতভাবে ছাড়া পেয়ে যান। যেহেতু তিনি এবিষয়ে কিছু জানেন না বলে মিডিয়ার সামনে বিবৃতি দিয়েছেন। এ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। স্থানীয়রা বলছেন— “যদি চালক নির্দোষ হয়, তবে কি সে অজ্ঞাত অবৈধ মালামাল গন্তব্যহীনভাবে বহন করছিল?” চালক যদিও মিডিয়ার সামনে দাবি করেছেন, কাপড় চোরাচালানের বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না। কিন্তু জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে কে এই মূল কারবারী? চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কি প্রকৃত কারবারী পুলিশের জালে উঠতে পারতো? ক্ষুব্ধ জনগণের প্রশ্ন, ‘নাকি চালক এত পরিমাণ কাপড় নদীতে ভাসাতে নিয়ে যাচ্ছিল?’
অভিযোগ উঠেছে, খোয়াই মহিলা থানার এই সাফল্যকে ছাপিয়ে দিয়ে তদন্তকে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। তড়িঘড়ি করে চালকের ছাড়া পাওয়ায় জনগণ প্রশাসনিক ব্যর্থতার দিকেই আঙুল তুলছেন। খোয়াই সুভাষপার্ক ফাঁড়ি যখন গোটা ঘটনার বিষয়ে অন্ধকারে, তখন মহিলা থানার পুলিশের এই সাফল্য ম্লান হয়ে গেছে প্রশাসনিক চাপের কাছে। অবৈধ কাপড় ব্যবসার মূল হোতারা এখনও অধরা। খোয়াইয়ের চোরাচালান চক্রকে ধরার সুবর্ণ সুযোগ কি তবে হাতছাড়া হলো?—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে খোয়াইবাসীর মনে। পুলিশ কি তবে টমটম চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে অবৈধ কাপড়ের কারবারীর সন্ধান নেবে? এনিয়ে জনমনে কৌতূহল বিরাজ করছে।
