জাতীয় ডেস্ক ৷৷ নোট বাতিলের বিরুদ্ধে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত ঠিক নয় বলে মানলেন পশ্চিম বাংলার বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, এভাবে তড়িঘড়ি ধর্মঘট ডাকাটা ভুল হয়ে থাকতে পারে। বামেদের ডাকে সর্বাত্মক সাড়া মেলেনি। এর থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আলিমুদ্দিনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বললেন তিনি। তিনি বলেছেন, ‘আমি স্বীকার করছি যে, ধর্মঘট সফল হয়নি। মনে হচ্ছে, সঠিক পরিকল্পনা ছাড়াই এই ধর্মঘট ডাকা হয়ে গিয়েছিল। মানুষের কাছ থেকে যথেষ্ট সাড়া পাওয়া যায়নি’। বিমান বসু বলেছেন, ‘তড়িঘড়ি ধর্মঘট ডেকেছিলাম আমরা এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে মানুষকে দ্রুত অবহিত করা যায়নি’। পরবর্তী কর্মসূচী স্থির করতে আগামী ৩০ নভেম্বর বামদলগুলির বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, নোট বাতিলের বিরুদ্ধে সারা ভারতেই ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছিল বিরোধী শিবির । কেরালা ও ত্রিপুরা ছাড়া সে অর্থে বামেদের ডাকা আন্দোলনে কোনও সাড়া পড়েনি। এ পশ্চিম বাংলায় ধর্মঘটে কোনও প্রভাবই পড়েনি। বামেদের ডাকা ধর্মঘটে রাজ্যজুড়ে জনজীবন স্বাভাবিক থাকা, কার্যত নজিরবিহীন। এদিনই এর আগে ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিলের সময় বিমান বসু কার্যত স্বীকার করেছিলেন যে, ধর্মঘট সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। দিনের শেষে সর্বাত্মক সাড়া মেলেনি বলে স্বীকার করে নিলেন তিনি। উল্লেখ্য, সংসদে বিভিন্ন বিরোধী দল একযোগে লড়লেও এ পশ্চিম বাংলায় বামেদের ধর্মঘটের মোকাবিলায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নোট বাতিলের বিরুদ্ধে মিছিলেও হাঁটেন তিনি। মমতা এদিন বামেদের ডাকা ধর্মঘটকে কটাক্ষও করেন। মমতা বলেন, বামেরা আন্দোলনে নেই। হঠাত্ করেই ধর্মঘট ডেকেছে। বিমানের স্বীকারোক্তির পর তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, বারবার ব্যবহারে বনধ্ অস্ত্র ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। পশ্চিম বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী আশা প্রকাশ করেবলেছেন, আগামী দিনে ভুল থেকে শিক্ষা নেবে বামেরা। পশ্চিম বাংলার বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, বামেদের কোনও জনসমর্থন নেই।‘আমি স্বীকার করছি যে, ধর্মঘট সফল হয়নি’ সাংবাদিক সম্মেলনে বিমান বসু
জাতীয় ডেস্ক ৷৷ নোট বাতিলের বিরুদ্ধে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত ঠিক নয় বলে মানলেন পশ্চিম বাংলার বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, এভাবে তড়িঘড়ি ধর্মঘট ডাকাটা ভুল হয়ে থাকতে পারে। বামেদের ডাকে সর্বাত্মক সাড়া মেলেনি। এর থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আলিমুদ্দিনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা বললেন তিনি। তিনি বলেছেন, ‘আমি স্বীকার করছি যে, ধর্মঘট সফল হয়নি। মনে হচ্ছে, সঠিক পরিকল্পনা ছাড়াই এই ধর্মঘট ডাকা হয়ে গিয়েছিল। মানুষের কাছ থেকে যথেষ্ট সাড়া পাওয়া যায়নি’। বিমান বসু বলেছেন, ‘তড়িঘড়ি ধর্মঘট ডেকেছিলাম আমরা এবং এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে মানুষকে দ্রুত অবহিত করা যায়নি’। পরবর্তী কর্মসূচী স্থির করতে আগামী ৩০ নভেম্বর বামদলগুলির বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, নোট বাতিলের বিরুদ্ধে সারা ভারতেই ধর্মঘট ও প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছিল বিরোধী শিবির । কেরালা ও ত্রিপুরা ছাড়া সে অর্থে বামেদের ডাকা আন্দোলনে কোনও সাড়া পড়েনি। এ পশ্চিম বাংলায় ধর্মঘটে কোনও প্রভাবই পড়েনি। বামেদের ডাকা ধর্মঘটে রাজ্যজুড়ে জনজীবন স্বাভাবিক থাকা, কার্যত নজিরবিহীন। এদিনই এর আগে ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিলের সময় বিমান বসু কার্যত স্বীকার করেছিলেন যে, ধর্মঘট সাড়া ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। দিনের শেষে সর্বাত্মক সাড়া মেলেনি বলে স্বীকার করে নিলেন তিনি। উল্লেখ্য, সংসদে বিভিন্ন বিরোধী দল একযোগে লড়লেও এ পশ্চিম বাংলায় বামেদের ধর্মঘটের মোকাবিলায় কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নোট বাতিলের বিরুদ্ধে মিছিলেও হাঁটেন তিনি। মমতা এদিন বামেদের ডাকা ধর্মঘটকে কটাক্ষও করেন। মমতা বলেন, বামেরা আন্দোলনে নেই। হঠাত্ করেই ধর্মঘট ডেকেছে। বিমানের স্বীকারোক্তির পর তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, বারবার ব্যবহারে বনধ্ অস্ত্র ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। পশ্চিম বাংলার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী আশা প্রকাশ করেবলেছেন, আগামী দিনে ভুল থেকে শিক্ষা নেবে বামেরা। পশ্চিম বাংলার বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, বামেদের কোনও জনসমর্থন নেই।