আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ ফেব্রুয়ারী ৷৷ প্রয়াত হলেন ‘ত্রিপুরা দর্পণ’ পত্রিকার সম্পাদক সমীরণ রায়ের মা তথা আগরতলা শহরের কর্নেল চৌমুহনী এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক রেণুকা রায়। রবিবার ভোরে নিজ বাসভবনে আকস্মিক প্রয়াণ হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। প্রয়াত রেণুকা দেবী চার ছেলে, এক মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় ও গুণমুগ্ধ রেখে গেছেন। তাঁর জীবনাবসানের খবর পেয়ে পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, মুখ্যমন্ত্রীর সহধর্মিণী পাঞ্চালি ভট্টাচার্য, সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর, বিজেপি রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব, সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক, এলাকার বিধায়ক রতন দাস, রতন লাল নাথ, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ অরুণোদয় সাহা, রামেশ্বর ভট্টাচার্য, স্বপন নন্দী, বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রণব সরকার, ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়নের সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদ আলি, সহ আগরতলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ছিলেন আর কে কল্যাণজিত সিং, চিত্রা রায় সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সাতসকালে এই বর্ষীয়ান মহিলার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা কৃষ্ণনগর এলাকায়।প্রয়াত ত্রিপুরা দর্পণ পত্রিকার সম্পাদকের মা, শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ ফেব্রুয়ারী ৷৷ প্রয়াত হলেন ‘ত্রিপুরা দর্পণ’ পত্রিকার সম্পাদক সমীরণ রায়ের মা তথা আগরতলা শহরের কর্নেল চৌমুহনী এলাকার বিশিষ্ট নাগরিক রেণুকা রায়। রবিবার ভোরে নিজ বাসভবনে আকস্মিক প্রয়াণ হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। প্রয়াত রেণুকা দেবী চার ছেলে, এক মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় ও গুণমুগ্ধ রেখে গেছেন। তাঁর জীবনাবসানের খবর পেয়ে পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, মুখ্যমন্ত্রীর সহধর্মিণী পাঞ্চালি ভট্টাচার্য, সি পি আই (এম) রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর, বিজেপি রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব, সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক, এলাকার বিধায়ক রতন দাস, রতন লাল নাথ, ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ অরুণোদয় সাহা, রামেশ্বর ভট্টাচার্য, স্বপন নন্দী, বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রণব সরকার, ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়নের সভাপতি সৈয়দ সাজ্জাদ আলি, সহ আগরতলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ছিলেন আর কে কল্যাণজিত সিং, চিত্রা রায় সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সাতসকালে এই বর্ষীয়ান মহিলার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা কৃষ্ণনগর এলাকায়।