নিরলসা গবেষনায় ডঃ অরিজিৎ দাসের মুকুটে ফের যুক্ত হয়েছে কৃতিত্বের নতুন অধ্যায়

arijitআপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৪ এপ্রিল ৷৷ রাজ্যের শিক্ষা জগতের একটি পরিচিত নাম ডঃ অরিজিৎ দাস। বিজ্ঞানের পড়ুয়াদের স্বার্থে কঠিন রসায়নকে সহজবোধ্য করে তোলার জন্য রসায়ন চর্চা আর গবেষনাতেই নিজেকে উৎসর্গ করেছেন তিনি। সুদীর্ঘ গবেষনার ফসল হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তক রাসায়নিক শিক্ষা সম্পর্কিত জার্নাল “World Journal of Chemical Education”-এ ডঃ দাসের রসায়ন বিদ্যার ১৬টি সহজ শিক্ষাদান পদ্ধতি সহ ৩৬টি আধুনিক ফর্মুলার সংযোজন রয়েছে। তাছাড়া বুক চাপ্টারে ডঃ দাসের ৪টি বন্ধন ক্রমের জন্য এবং ৩টি চুম্বকীয় ধর্মের জন্য মোট ৭টি ফর্মুলা প্রকাশিত হয়েছিল।
এবার আবার আগরতলা বাধারঘাটস্থিত রামঠাকুর কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রধান তথা সহকারী অধ্যাপক ডঃ অরিজিৎ দাসের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরো এক নতুন অধ্যায়। ডঃ দাসের গবেষনায় আরও ৩টি নতুন সহজ শিক্ষাদান পদ্ধতি সহ ৩টি আধুনিক ফর্মুলা বুধবার “World Journal of Chemical Education”-এ সূচিত হয়। ডঃ দাসের নতুন এই পদ্ধতিতে রসায়নের পড়ুয়ারা নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন যুগলের সাহায্যে হেটারোসাইক্লিক যৌগের সংকরায়ন অবস্থা এবং অ্যারোমেটিক / অ্যান্টি অ্যারোমেটিক বৈশিষ্ট সন্মুহ সহজেই নির্ণয় করতে পারবে।
উল্লেখ্য, ১৯৩১ সালে Linus Pauling এবং Huckel প্রথম সংকরায়ন অবস্থা এবং অ্যারোমেটিক / অ্যান্টি অ্যারোমেটিক বৈশিষ্ট সন্মুহ নির্ণয়ের পদ্ধতি প্রকাশ করেছিল। দীর্ঘ ৮৭ বছর পর আরও সহজ উপায়ে এই বৈশিষ্ট সন্মুহ নির্ণয়ের নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন ডঃ দাস। দা দাসের নতুন এই পদ্ধতি http://www.sciepub.com/wjce/abstract/8888 এই লিঙ্কে পাওয়া যাবে। ডঃ দাস তার প্রয়াত পিতা রাজ্যের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অনিল রঞ্জন দাসের নামে নতুন এই পদ্ধতিগুলি উৎসর্গ করেছেন। পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্যকে উন্নয়নের মাধ্যমে গোটা বিশ্বের মধ্যে তুলে ধরার জন্য রাজ্যের বর্তমান সরকার যে লক্ষ্যে কাজ করছে, সেই লক্ষ্যকে সাধুবাদ জানিয়ে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এবং উচ্চশিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথকে ডঃ দাস উনার এই গবেষনা পত্রের মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

 

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*