আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৪ সেপ্টেম্বর ৷। হেলমেট ছাড়া পথে বেরিয়ে পাপের দেনা মেটানোর অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। মাঝে মধ্যে ট্রাফিক দপ্তরের বাবুরাও সার্জিক্যাল অপারেশনে নেমে হেলমেট বিহীন দ্বি-চক্র যান চালকদের কাছ থেকে জরিমানা আদায়ের সঙ্গে আইনের জ্ঞানদান করে থাকে। এ পর্য্যন্ত সবটাই ঠিক – আইন ভঙ্গ করলে হাঁটুতে মাথা লাগাতেই হবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে খাকি উর্দি গায়ে চড়িয়ে হেলমেট ছাড়া যারা আইন ভাঙ্গছে তাদের জরিমানা শাস্তির বিধান করা উচিত। কারণ সাধারণ মানুষকে যারা আইনের বুলি শেখায় সেই সর্ষের ভূতরা কি আইনের ঊর্ধ্বে? নিশ্চই নয়। সংবিধান বলে ‘আইন সবার জন্য সমান’। কিন্তু ছবি দু’টি ভিন্ন কথা বলছে।প্রথমত, এই দুটি বাইকই রাজ্য পুলিশের ‘বিট পেট্রোলিং’ এর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বাইকে বসে পেট্রোলিং করার সময় পুলিশ বাবুদের মাথায় নেই কোনও হেলমেট, যা ছবি থেকেই স্পষ্ট। অথচ রাজ্যের ট্রাফিক পুলিশের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘১লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ থেকে দ্বি-চক্র যান চালক ও সহ-চালক উভয়রই হেলমেট পড়া বাঞ্ছনীয়। অন্যথা Motor Vehicle Amendment Act, 2019 এর 194 (C ) এবং 194 (D) ধারা অনুযায়ী উভয়ের ১০০০ টাকা করে জরিমানা ও তৎসঙ্গে চালকের ৩ মাসের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হবে।‘
দ্বিতীয়ত, বাইক দুটির নেই কোনও ইনস্যুরেন্স। নেই ধোঁয়া পরীক্ষার (PUCC) কাগজও। দীর্ঘদিন আগেই তার সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। বাইক দুটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল ২৯শে জুলাই, ২০১৯।
এখন কথা হচ্ছে, আইন কি শুধু সাধারণ মানুষের জন্যই? সাধারণ মানুষকে যারা আইনের বুলি শেখায় সেই সর্ষের ভূতরা কি আইনের ঊর্ধ্বে?

