আপডেট প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ২০ সেপ্টেম্বর || স্ত্রীকে মারধোর এবং শাশুড়ির ভাড়া বাড়িতে হামলা, মালিকের উপর হামলা ও বাড়িঘর ভাংচুর করার অভিযোগ উঠল তেলিয়ামুড়ার এক ব্যাবসায়ীর ছেলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তেলিয়ামুড়া গৌরাংগটিলা নিবাসী প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হারাধন দাসের ছেলে অভিজিৎ দাস (বিক্রম) এর বিরুদ্ধে। বিবরনে জানা যায়, শুক্রবার রাতে অভিজিৎ তার স্ত্রী শর্মিষ্ঠা দাসের উপর শারীরিক অত্যাচার শুরু করে। একটা সময় তার স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পুরিয়ে মারার চেস্টাও করে বলে অভিযোগ। কোন প্রকারে প্রাণ বাচিয়ে তার স্ত্রী তেলিয়ামুড়ার কালিটিলা এলাকায় তার মায়ের ভাড়া বাড়িতে চলে আসে। নেশা আসক্ত স্বামী অভিজিৎ রাত প্রায় ১২টা নাগাদ সেখানে পৌছে যায় তাকে মারার জন্য। বাড়ির মালিক মলয় পাল (প্রতিষ্ঠিত ঔষধ ব্যবসায়ী) তাকে বাধা দিলে তার উপর চড়াও হয় অভিজিৎ। তাকেও মারতে থাকে। নিজের স্ত্রীকে মারার জন্য ঘরে ঢুকতে না পেরে ঘর দুয়ারও ভাংচুর করে অভিজিৎ। চিৎকার শুনে এলাকাবাসী ছুটে আসলে সেখান থেকে পালিয়ে আসে সে।
জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পুর্বে ধলাই জেলার কমলপুর এলাকায় শর্মিষ্ঠা দাসের সঙ্গে অভিজিতের বিবাহ হয়েছিল। শর্মিষ্ঠার বাবা মারা গেলে তার বড় ভাই তেলিয়ামুড়া খাসিয়ামংগলস্থিত বি এস এফ ক্যাম্পে পোস্টিং থাকার কারনে কালিটিলা নিবাসী মলয় পালের বাড়িতে ভাড়াটে হিসাবে থাকেন। কিছুদিন ভাল চলে তাদের সংসার, এর পরই শুরু হয় শারীরিক ও মানাসিক অত্যাচার। বিগত বছর দুয়েক আগেও এরকমই আরেকটা ঘটনা ঘটিয়েছিল সে। সেই সময় স্ত্রীর হাত ভেঙে দিয়েছিল সে বলে জানা যায়। লোক লজ্জা ও ভয়ে তেলিয়ামুড়ার প্রতিষ্ঠিত শুকনোমাছ ব্যবসায়ীর পুত্রবধু কাওকে কিছুই জানায়নি। পেশায় সে তেলিয়ামুড়া শহরে বাজাজ বাইকের শোরুমের মালিক। শহরের একজন ধন সম্পদে সমৃদ্ধ পরিবার হিসাবেই পরিচিত। কিন্তু এখন ধইর্য্যের সীমা ছারিয়ে গেছে অত্যাচার। পাশাপাশি বাড়ির মালিক মলয় পালকেও মারধোর করে এবং তাদের বাড়িঘর ভাংচুর করায় বাড়ির মালিক শনিবার অভিজিতের বিরুদ্ধে তেলিয়ামুড়া থানায় মামলা করে। পুলিশ তাকে আটক করে তদন্তে নেমেছেন বলে জানা যায়।
