আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৪ মে || জগতগুরু শঙ্করাচার্য্য বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে ভারতের কেরল প্রদেশের কালাডি গ্রামে ৬৮৬ খ্রি. (মতান্তরে ৭৮৮ খ্রি.) জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ৩২ বছরের জীবনদশায় সনাতন বৈদিক ধর্মের পতাকাকে সর্বোচ্চ শিখরে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন আর্চার্য শঙ্কর। তৎকালীন বিকৃত বৌদ্ধবাদ খণ্ডন করে তিনি সনাতন ধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
মৌর্য্য সম্রাট অশোক কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরের গোড়া পত্তন করেন। তখন বৌদ্ধ ধর্ম ছিল এই এলাকার প্রধান ধর্ম। অশোক মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজকোষ শূন্য করে দিয়ে বৌদ্ধমত প্রচারের নেশায় পাগল প্রায় হয়ে যায়। তিনি যুব সমাজকে কর্ম বিমুখ করে সন্ন্যাসের পথে অনুপ্রাণিত করেন। ফলে, ভারতবর্ষে বিদেশী শক্তি ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে ও ভারতবর্ষ পরিণত হয় দুর্বল চিত্ত ক্লীব এর দেশে। ভারতবর্ষের সাথে সনাতন বৈদিক ধর্মের এক মহা সন্ধিক্ষন উপস্থিত হয়। এমনি সময়ে আবির্ভাব ঘটে আর্চার্য শঙ্করের।
কথিত আছে যে “সারদা পীঠ” মন্দিরের চার দিকের চার দরজার দক্ষিন দরজা বন্ধ থাকত, কারন ভারতের দক্ষিন থেকে কোন পন্ডিত এই মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি পায় নি। শঙ্করাচার্য্য তর্কযুদ্ধে মন্দিরের পন্ডিতদের পরাজিত করে দক্ষিন দরজা দিয়ে এই মন্দিরে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন নাস্তিক ও অবৈদিক অপসম্প্রদায়কে স্তব্ধ করে দিয়ে, তিনি সনাতনের চিরন্তন পথে পুনরায় সনাতন ধর্ম এর প্রবুদ্ধ করেন।
