আপডেট প্রতিনিধি, বক্সনগর, ১৮ জানুয়ারি || মৃত্যুর স্বাদ এক দিন সকলকেই গ্রহণ করতে হবে। কেউ আগে কেউ বা পরে। এই মৃত্যুর কাছে এক দিন সবাইকে হার মানতে হবে! এটাই নিয়তির খেলা। এমনই একটি অকাল মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বক্সনগর ব্লকের অন্তর্গত বাগবের গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলীয় এক উপ প্রধানের। তার নাম মানিক মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। বাড়ি বাগবের গ্রাম পঞ্চায়েতের দুধ পুকুর এলাকায়। এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা যায়, তিনি গত কিছুদিন যাবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থতায় ভুগছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত মানিক মিয়া গত শনিবার বিকেলে তার বাড়িতেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার পরিবারের লোকজন তাকে প্রথমে বক্সনগর সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার গুরুতর দেখতে পেয়ে তাকে জিবিপি হাসপাতালে রেফার করেন।জিবিপি হাসপাতালে এক দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে সোমবার রাত্র আনুমানিক দশটা ত্রিশ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সোমবার রাতেই তার মৃতদেহ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে সিপাহীজলা জেলার দক্ষিণাংশের বিজেপি সভাপতি দেবব্রত ভট্টাচার্য, বক্সনগর মন্ডল সভাপতি সুভাষ চন্দ্র সাহা, বক্সনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সঞ্জয় সরকার, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানসহ নেতৃত্বরা তার বাড়িতে ছুটে যান এবং তার আত্মার সদগতি কামনা করেন। মৃত্যুকালে তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে সহ আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। তার অকাল প্রয়াণে বাগবের গ্রাম পঞ্চায়েত এবং এলাকার সমাজ গঠনের অনেকটা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন প্রধান সুখেন দাস। মৃত্যুর খবর শুনে শুধু তার আত্মীয়স্বজন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী অন্যান্য ধর্মের মহিলারা পর্যন্ত কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তার মৃত্যুতে পঞ্চায়েতের যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে তা অবশ্যই কিন্তু পরিপূর্ণভাবে পূরণ হবে না। মঙ্গলবার বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে ইসলামিক রীতিনীতি মেনে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে তার পরিবার থেকে জানা যায়।
