হাতির শাবকের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য

সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১৮ জুন || হাতির শাবকের মৃত্যুকে ঘিরে গোটা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য। ঘটনা মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের অধীন চামপ্লাই এলাকার হারাধন দাস পাড়া সংলগ্ন গভীর জঙ্গলের পাশের পুকুড়ে। জানা যায়, শনিবার সকালে এলাকার কৃষকরা নিজ গবাদি পশু নিয়ে জঙ্গলে প্রবেশ করার সময় কালে আচমকাই প্রত্যক্ষ করে জঙ্গলের পাশের পুকুরে একটি হাতির শাবকের মৃতদেহ ভাসমান পরে এদিন সকাল আনুমানিক প্রায় দশটা নাগাদ তেলিয়ামুড়া বনদপ্তরের নিকট খবর আসে চামপ্লাই এলাকার হারাধন দাস পাড়া সংলগ্ন জঙ্গলের পাশে একটি পুকুরে সদ্যোজাত একটি মৃত হাতির শাবক পড়ে রয়েছে। খবর চাউর হতেই জড়ো হতে থাকে প্রচুর সংখ্যক মানুষ জন। ঘটনাস্থলে তেলিয়ামুড়া মহুকুমা বন দপ্তরের আধিকারিক বন দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, মৃত হাতির শাবকটি যে জায়গা থেকে উদ্ধার হয় ওই সব এলাকা বন্য হতির বিচরণ কেন্দ্র। প্রায় নিত্যদিনই ওইসব এলাকায় বন্য হাতির দল ঘোরাফেরা করে এবং প্রায় সময় লোকালয়ে চলে আসে। অনুমান করা হচ্ছে হাতি শাবকটি’র জন্মের পর কোনো এক কারনে মৃত্যু হয়। এদিকে হাতির শাবকের মৃত্যুতে এই প্রজাতির একটা বিশাল ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করছেন বিভিন্ন মহল। কারণ এমনিতেই ত্রিপুরা রাজ্যে হাতির সংখ্যা তুলনায় অনেকটাই কমে গেছে পূর্বের সময় থেকে। এই প্রজাতিটিকে বাঁচিয়ে রাখতে বনদপ্তর নানা বিধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সারা বছর। এরই মধ্যে সদ্যজাত শাবকের মৃত্যুতে এ প্রজাতির বংশবিস্তার কিছুটা হলেও ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করেন দপ্তরের আধিকারিকরা। ঠিক কি কারণে এই হাতি শাবকটির মৃত্যু ঘটেছে এব্যাপারে ঘটনাস্থলে উপস্থিত তেলিয়ামুড়া বনদপ্তরের আধিকারিক কিছুই জানাননি। যতদূর জানা যায়, মৃত শাবকটির মৃত্যুর কারণ পোস্টমর্টেম করার পরেই জানা যাবে। যদিও বনদপ্তরের তরফ থেকে এ বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া দিতে নারাজ উপস্থিত আধিকারিকরা। তেলিয়ামুড়া বন দপ্তরের আধিকারিক সবির কান্তি দাস সাফ জানিয়ে দেন বক্তব্য নিতে হলে উনার অফিসে যেতে হবে সাংবাদিকদের, আর নয়তো দেওয়া হবেনা। ফলে সাংবাদিকেরা উনার বক্তব্য না পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে চলে আসতে বাধ্য হয়।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*