বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৯ সেপ্টেম্বর || রাজ্য সরকার চাইছে কৃষকদের আয় দ্বিগুন করতে। রাজ্য সরকারের এই উদ্দ্যেশ্যকে সাফল্যমন্ডিত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে বগাফা কৃষি দপ্তর। বর্তমানে কৃষিজ ফসলের মধ্যে চলছে ধান চাষের মরশুম। এইবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে রেল চলাচল স্তব্ধ থাকায় বহিঃরাজ্য থেকে সঠিকভাবে ইউরিয়া সারের যোগান দেওয়া সম্ভব হয়নি। এই সঙ্কটকে কাটিয়ে তুলতে কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্দ্যোগে ইউরিয়া সারের বিকল্প ঔষধ তৈরি করা হয়েছে। যার নামাকরণ করা হয়েছে নেনো ইউরিয়া। এই ঔষধ বাজারজাত হবার পর পরিক্ষামূলক ভাবে ঔষধ প্রয়োগের বিভিন্ন দিকগুলি দেখছেন বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস। কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক বগাফা কৃষি দপ্তরের আধীনে থাকা তিনটি সেক্টর অফিসের ৩০ জন সুবিধাভোগী নির্ধারন করে নেনো ইউরিয়া প্রয়োগ করছেন। যার মধ্যে রয়েছে বগাফা সেক্টর অফিস, বাইখোড়া সেক্টর অফিস ও জোলাইবাড়ী সেক্টর অফিস। প্রতিটি সেক্টরে ১০ জন করে বেনিফিসারী নির্ধারন করে নেমো ইউরিয়া বিতরণ করা হয়। তার পাশাপাশি কিভাবে এই ঔষধ প্রয়োগ করা হয় এবং ঔষধ প্রয়োগের বিভিন্ন দিকগুলি আলোচনার মাধ্যমে কৃষকদের সামনে তুলে ধরা হয়। এই আলোচনা সভা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছু তথ্য তুলে ধরতে গিয়ে তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস জানান, যে সকল কৃষকদের কৃষিজ জমিতে এই নেনো ইউরিয়া প্রয়োগ করা হচ্ছে তাদের জমির প্রতি সর্বদা নজর রাখবেন কৃষি দপ্তর। এই ঔষধে সাফল্য অর্জন করলে আগামীতে আরো বেশি পরিমানে সরকারি সাবসিডির মাধ্যমে কৃষকদের নেনো ইউরিয়া বিতরণ করা হবে। তাছারা এই ঔষধে সাফল্য অর্জন করলে আগামীতে ইউরিয়া সারের সংকট হলেও কৃষকরা অসুবিধার সন্মুখিন হতে হবেনা। কৃষি দপ্তর কতৃক আয়োজিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক সুজিত কুমার দাস, জোলাইবাড়ীর কৃষি দপ্তরের সেক্টর অফিসার অসিম দের্বমা সহ অন্যন্যরা। এই আলোচনা সভায় উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়।
