সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১১ সেপ্টেম্বর || মাত্র সাত হাজার টাকা মুল্যের মদ বিরোধী অভিযানে সাফল্য দেখিয়ে বাহবা নিতে ব্যস্ততা থানার বর বাবুর। অন্যদিকে লাখ লাখ টাকার গাঁজা, মদ পাচার হয়ে যাচ্ছে থানার নাকের ডগা দিয়ে সেদিকে নজর দিতে নাজার। লোক দেখানো অভিযানের আড়ালে চলছে গোপন লেনদেন, এমনটাই কানপাতলে শোনা যাচ্ছে তেলিয়ামুড়া শহরজুরে অভিযোগ বিভিন্ন মহলের। প্রতিদিন তেলিয়ামুড়া শহরে অবস্থিত ৩টি লাইসেন্স প্রাপ্ত বিলেতি মদের দোকান থেকে স্ক্রুটি, ছোট গাড়ি করে বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকা মুল্যের মদ পৌছানো হচ্ছে, তাও থানার সামনে দিয়ে। অথচ পুলিশ বাবুদের চোখে পরেনা। গুঞ্জন চলছে শহরজুড়ে যেখানে সাধারণ মানুষের নজরে চলে আসছে সেই জায়গায় পুলিশের নজরে আসেনা। প্রশ্ন বিভিন্ন মহলের। তবে কি এর পেছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে? পাশাপাশি থানার নাকের ডগায় ছোট ছোট রেস্তোরাঁয় সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই চলে অবৈধ মদ বিক্রি। অভিযোগ গোপন চুক্তির মাধ্যমেই চলে এই ব্যবসা।
অন্যদিকে তেলিয়ামুড়া থানা এলাকা পেরিয়ে মুংগিয়াকামি থানার পুলিশ প্রায় দিনই অবৈধ গাঁজা বোঝাই গাড়ি আটক করে চলেছে। উদ্ধার হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা মুল্যের গাঁজা সহ অন্যান্য নেশা সামগ্রী। অন্যদিকে তেলিয়ামুড়া থানা পুলিশের ক্ষেত্রে অন্যচিত্র।
তেলিয়ামুড়া থানা এলাকায় চলছে নেশা সহ জোয়ার রমরমা। কিন্তু থানাবাবুদের হাতে আসে কেবল জুয়ার সামগ্রী তাও নুন্যতম।
প্রসংগত, গোপন খবরের ভিত্তিতে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ নেশা বিরোধী অভিযানে নেমে চাকমাঘাট এলাকা থেকে বাজেয়াপ্ত করে বিলেতি মদ। ঘটনা শনিবার রাতে।
জানা যায়, তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার চাকমাঘাট টি এস আর ক্যাম্পের পেছনের এক ব্যাক্তির বাড়ি থেকে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ শনিবার রাতে বাজেয়াপ্ত করে কিছু পরিমাণ বিলেতি মদ।
এ প্রসঙ্গে তেলিয়ামুড়া থানার ওসি সুবিমল বর্মণ জানিয়েছেন, বাজেয়াপ্ত করা মদ গুলির বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা। ওসি জানিয়েছেন, তেলিয়ামুড়া থানাতে বর্তমানে অফিসার সঙ্কট চলছে, তাই পুলিশ নিত্যদিন এ ধরনের অভিযানে নামতে পারছেনা। তবে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী নেশা বিরোধী অভিযান জারি রেখেছে। বুঝা গেল এতেই তিনি খুশি। অন্যদিকে অফিসার সংকটের বাহানা যেন উনার সেইফ গার্ড।
