১৮৫ জন গরিব ও দুঃস্থদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ঘাসফুল শিবিরের

সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২৯ সেপ্টেম্বর || আসন্ন শারদীয়া দুর্গোৎসবের প্রাক মুহূর্তে দেবী পক্ষের চতুর্থীতে বৃহস্পতিবার মা মাটি মানুষের সরকার তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে তেলিয়ামুড়া থানাধীন টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চৌমুহনী এলাকায় খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের সদর কার্যালয়ের সামনে তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ১৫টি ওয়ার্ডের সকল গরিব ও দুঃস্থদের মোট ১৮৫ জনের মাঝে শারদোৎসব আনন্দ মুখর হওয়ার জন্য বস্ত্র বিতরণের কর্মসূচি ও যোগদান সভা অনুষ্ঠিত করা হয়। উক্ত এই সামাজিক কর্মসূচী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব, ত্রিপুরা রাজ্য প্রদেশ সভানেত্রী পান্না দেব, তেলিয়ামুড়ার তৃণমূল কংগ্রেস বরিষ্ঠ নেতা সুধীর সরকার, তেলিয়ামুড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের যুব আইকন অনির্বাণ সরকার সহ আরও অন্যান্য দলীয় নেতৃত্বরা।
উল্লেখ্য, প্রথমেই বিগত ২০১৭ সাল থেকে বিজেপি’র সক্রিয় কর্মী সাগর দাসকে দলীয় ঘাসফুল পতাকা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে বরণ করে নেন রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেব। তেলিয়ামুড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের এই কর্মসূচীকে ঘিরে শারদীয়া দুর্গোৎসবের প্রাক মুহূর্তে কোন ধরনের রাজনৈতিক ইস্যুতে অ-প্রীতিকর ঘটনা রুখতে গোটা তেলিয়ামুড়া শহর জুড়ে সকাল থেকেই মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনাচরন জমাতিয়া কর্তৃক মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল আধা সামরিক বাহিনী। এই দিকে এলাকার গরিব ও দুঃস্থদের মাঝে রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেবের হাত দিয়ে বস্ত্র বিতরণ শুভারম্ভে পরবর্তীতে সাংসদ সুস্মিতা দেব দলীয় কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে মূল্যবান ভাষণ রাখতে গিয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা মাটি মানুষের সরকার সাধারণ মানুষের পাশে সব সময় সুখে দুঃখে অঙ্গিকারবদ্ধ। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরার মাটিতে পা রেখেছে মাত্র এক বছর হয়েছে। তবুও এই এক বছর ধরে ত্রিপুরার মাটিতে যেই সকল সাধারণ বঞ্চিত জনগণ পিছিয়ে রয়েছিল তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আনন্দ মুখরিত করে নিজেদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের মা মাটি মানুষের ঘাসফুল শিবির। এছাড়াও তিনি আরো বলেন, রাজ্যের মধ্যে বর্তমানে শাসক বিজেপি দলের বিভিন্ন জন বিরোধী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস একমাত্র চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করে গেছে। শুধু তাই নয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের জন্য বাংলায় অনেক গুলো প্রকল্প চালু করেছেন। আর যদি আসন্ন ত্রিপুরা ২০২৩ বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘাসফুল শিবির ক্ষমতায় আসে তাহলে বাংলার কার্যকরী সকল প্রকল্প ত্রিপুরার মানুষেরাও ভাগ করে নিতে পারবে তাতে কোন অবকাশ নেই বললেই চলে”।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*