বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৬ সেপ্টেম্বর || শান্তিরবাজার মহকুমার উন্নয়ন প্রকল্পে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন দুই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসক। এই পরিকল্পনাগুলি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত করতে বুধবার শান্তিরবাজার মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে জোলাইবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া, শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং ও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসক অভেদানন্দ বৈদ্যের যৌথ উদ্দ্যোগে শান্তিরবাজার মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্লাব, সমাজসেবী, বাজার কমিটির সেক্রেটারী ও প্রসাশনিক স্তরের লোকজনদের নিয়ে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনা সভার মূল আলোচ্য বিষয় হলো শান্তিরবাজার মহকুমাকে নেশামুক্ত করে গড়ে তোলা, বৃদ্ধদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করা, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা ও বাজারের বিভিন্ন সামগ্রীর দ্রব্যমূল্য রোধ করা সহ বেশ কিছু পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করা। এই আলোচনাসভার মাধ্যমে শান্তিরবাজার মহকুমাকে নেশামুক্ত করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন জায়গায় কমিটি গঠন করা হয়। এতে করে নেশাকারবারীদের চিহ্নিত করে প্রসাশনিক পর্যায়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান। মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া জানান, নেশাকারবাদীর মধ্যো কোনো রাজনৈতিক কর্মী বা নেতৃত্বদের হাত থাকলে তা দেখেও ছারা হবেনা। এই ব্যাপারে পুলিশকে মুক্তহস্তে কাজ করার পরামর্শ প্রদান করলেন মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া। যেসকল লোকজনেরা নেশায় আশক্ত হয়ে এইচ আই ভি পজেটিভ তাদেরকে সরকারিভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করলেন শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালের এম এস জে এস রিয়াং। অপরদিকে বৃদ্ধদের জন্য যেসকল সরকারি সুযোগ সুবিধা রয়েছে সেইসকল সুযোগ সুবিধাগুলি কিভাবে বাস্তবায়িত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন যেসকল নিয়ম নতিভুক্ত করা হয়েছে তা নিয়েও আলোচনা করা হয়। যারমধ্যে রয়েছে নাবালিকা মেয়ের বিয়েতে যেসকল লোকজন উপস্থিত থাকবে, খাওয়া দাওয়া করবে ও বিবাহে সাহায্য করবে তাদারকে ২ বছরের জেল ও নগদ এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রনে ও পেঁয়াজের অতিরিক্ত মূল্যরোধে শান্তিরবাজার, বাইখোড়া ও জোলাইবাড়ীতে নায্যমূল্যের পেঁয়াজ বিক্রয় কেন্দ্র খোলার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়। এককথায় বলা চলে শান্তিরবাজার মহকুমার উন্নয়ন প্রকল্পে মাঠে নেমেছেন মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া, বিধায়ক প্রোমাদ রিয়াং ও মহকুমা শাসক অভেদানন্দ বৈদ্য। অপরদিকে সঠিকভাবে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে এগিয়ে আসলো এম এস জে এস রিয়াং। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আগামীদিনে শান্তিরবাজারের উন্নয়ন হবে বলে সকলে আশাবাদী।
