৭৫’তম প্রজাতন্ত্র দিবসে কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করলেন রাজ্যপাল

আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৬ জানুয়ারি || গোটা দেশের সাথে রাজ্যেও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় ৭৫’তম প্রজাতন্ত্র দিবস। শুক্রবার রাজ্যের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের মূল অনুষ্ঠানটি হয় রাজধানীর আসাম রাইফেলস ময়দানে। এদিন প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেডিড নাল্লু।
এদিনের অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা, রাজ্যের মুখ্যসচিব জে কে সিনহা, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অমিতাভ রঞ্জন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ এবং রাজ্য পুলিশের পদস্থ আধিকারিকগণ।
এদিন আসাম রাইফেলস ময়দানে আয়োজিত ৭৫’তম প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠানে রাজ্যপালকে কুচকাওয়াজের অভিবাদন জানান বিএসএফ, সিআরপিএফ, আসাম রাইফেলস, টিএসআর, মহিলা টিএসআর প্ল্যাটুন, ত্রিপুরা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, ফরেস্ট গার্ড, এনসিসি’র সিনিয়র ডিভিশন বয়েজ, এনসিসি’র সিনিয়র ডিভিশন গার্লস, গার্লস গাইড, এনএসএস, সিভিল ডিফেন্স ও আসাম রাইফেলস পাবলিক স্কুল। এদিন কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন কমান্ডেন্ট কল্লোল রায়।
এদিন কুচকাওয়াজে সিকিউরিটি বিভাগে প্রথম হয়েছে মহিলা টিএসআর বাহিনী। দ্বিতীয় আসাম রাইফেলস ও তৃতীয় হয়েছে টিএসআর ১৪নং ব্যাটেলিয়ান। নন সিকিউরিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে আসাম রাইফেলস পাবলিক স্কুল। দ্বিতীয় হয়েছে এনএসএস ও তৃতীয় হয়েছে এনসিসি সিনিয়র ডিভিশন গার্লস।
অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে যেসকল পুলিশ অফিসার ও কর্মীগণ রাষ্ট্রপতির পদকে ভূষিত হয়েছেন তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবার প্রেসিডেন্টস পুলিশ মেডেল পেয়েছেন ইন্সপেক্টর অব পুলিশ দেবব্রত পাল। তাছাড়া পুলিশ মেডেল পেয়েছেন ডেপুটি এসপি (ট্রাফিক) দীপক কুমার সরকার, ইন্সপেক্টর অব পুলিশ রাণা চ্যাটার্জি, সাব ইন্সপেক্টর পিন্টু মজুমদার, সুবেদার কৌস্তব ভট্টাচার্য, নায়েক সুবেদার আব্দুল সহিদ, হাবিলদার বিনন্দা জমাতিয়া। এদিন অনুষ্ঠানে ২০২২-২৩ সালের রাজ্যপাল মনোনীত বেস্ট ফরেস্ট রেঞ্জ, সেকেন্ড বেস্ট ফরেস্ট রেঞ্জ ও থার্ড বেস্ট ফরেস্ট রেঞ্জকে পুরস্কৃত করা হয়। বেস্ট ফরেস্ট রেঞ্জের পুরস্কার পেয়েছে রাজনগর ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জ, সেকেন্ড বেস্ট ফরেস্ট রেঞ্জের পুরস্কার পেয়েছে কাঞ্চনপুর রেঞ্জ, থার্ড বেস্ট ফরেস্ট রেঞ্জের পুরস্কার পেয়েছে দুর্গা চৌমুহনী রেঞ্জ।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, আয়তনে ছোট হলেও সংস্কৃতি, শিল্প, শিক্ষা ইত্যাদি বহু ক্ষেত্রে ত্রিপুরা বড় বড় রাজ্যগুলির সথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। এস ডি বর্মণ, আর ডি বর্মণ যেমন বিশ্ব দরবারে খ্যাতি অর্জন করেছেন তেমনি রাজ্যের বহু খেলোয়াড় খেলাধুলার ক্ষেত্রে খ্যাতি অর্জন করেছেন। এসব ক্ষেত্রে আরও বেশি সাফল্যের জন্য রাজ্য সরকার সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যপাল এই সুযোগকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*