আপডেট প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ২৩ ডিসেম্বর || এক অজ্ঞাত পরিচয়হীন ব্যক্তির পচা গলা মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হল তেলিয়ামুড়া মহুকুমার মুঙ্গিয়াকামি থানাধীন দক্ষিণ মহারানী পুরের শরৎ চন্দ্র পাড়ার গভীর জঙ্গল থেকে। জানা যায়, এলাকার লোক লাকড়ি সংগ্রহ করতে গেলে মৃতদেহের পচা গন্ধ তাদের নাকে লাগে। একটু এগিয়ে যেতেই এক ব্যক্তির পচা মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গেই খবর দেওয়া হয় মুঙ্গিয়াকামি থানায়। খবর পাওয়া মাত্র মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ আনুমানিক দুটো নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার সত্যতা লক্ষ্য করে। তবে মৃতদেহটি কোন ইট ভাট্টায় কর্মরত বহিঃরাজ্যের শ্রমিক কিনা তা যাচাই করতে স্থানীয় একটি ইট ভাট্টায় খোঁজখবর নেয় মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ। তবে ওই ইট ভাট্টার শ্রমিক কিনা সেটা বলতে নারাজ ভাটার কর্তৃপক্ষরা। এ নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দেয় গোটা এলাকায়। আসলে কি এটা আত্মহত্যা নাকি খুন করে লাশ গুম করে রাখার অপচেষ্টা তা নিয়ে চলছে পুলিশের তদন্ত। তবে মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে এলাকার জনগণের মধ্যেও প্রশ্নচিহ্নের উঁকি মারছে। তবে দুটো নাগাদ লাশ উদ্ধার হলেও মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ বাবুরা ওই বেওয়ারিশ লাশটিকে একা ফেলে ময়নাতদন্তের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তেলিয়ামুড়া মহাকুমার ডি সি এম এবং মুঙ্গিয়াকামী স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক চিকিৎসককে নিয়ে হাজির হয় ময়না তদন্ত করে মৃতদেহ সেই জায়গায় সৎকার করার জন্য। কিন্তু এলাকাবাসীদের দাবি যেহেতু মৃত ব্যক্তির পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি তাকে ওই এলাকায় কিভাবে মাটি কুরে রাখা হবে। তাদের দাবি মৃতদেহটিকে নিয়ে অন্যত্র সৎকার করা হোক। কিন্তু প্রশ্ন জাগছে যেহেতু ময়নাতদন্তের জন্য সূর্যালোকের উপস্থিতিতে একান্ত প্রয়োজন সেই জায়গায় কিভাবে রাতের অন্ধকারে অতিরিক্ত বিদ্যুতের ব্যবস্থা না করে ময়না তদন্ত করে মৃতদেহটিকে সৎকার করা হবে। খবর লেখা পর্যন্ত মৃতদেহটির পরিচয় পাওয়া যায় নি। যদিও সরকারি গাইডলাইনে আছে অপরিচিত কোন ব্যক্তির মৃতদেহ পাওয়া গেলে ৭২ ঘন্টা মৃতদেহটিকে রেখে তার পরিচয় পাওয়া না গেলে সরকারি উদ্যোগে সৎকার করা প্রয়োজন।
