গোপাল সিং, খোয়াই, ২৭ জানুয়ারি || নিজ বিধানসভা এলাকায় সরকারি উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে বিধায়ক পিণাকী দাস চৌধুরী যতটা সজাগ, ঠিক ততটাই একজন মানুষ নিজের বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে সচেতন থাকেন—এমনটাই মত স্থানীয়দের। কল্যাণপুর–প্রমোদনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জনগণের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং আত্মীয়তার বন্ধনে বাঁধা। জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি সরকারি সুযোগ-সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তিনি যে বদ্ধপরিকর, তা ফের একবার স্পষ্ট হলো তাঁর সাম্প্রতিক এলাকা পরিদর্শনে।
মঙ্গলবার দিনভর বিধায়ক নিজের বিধানসভা এলাকা চষে বেড়িয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। কল্যাণপুরে নির্মীয়মাণ ১০০ আসন বিশিষ্ট ছাত্রী নিবাসের কাজ তিনি নিজে পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্ট এজেন্সি ও দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন তিনি। বিধায়কের কথায়, কাজ প্রায় শেষের পথে এবং খুব শীঘ্রই খোয়াই জেলার ছাত্রীদের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোটি খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
এছাড়াও কল্যাণপুর বাজার কলোনি রোড থেকে এনএইচ রোড পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার রাস্তা প্রশস্তিকরণ এবং অগ্রগতিও খতিয়ে দেখেন তিনি। দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে কাজের গতি ও মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন বিধায়ক। এলাকাবাসীর সুবিধার্থে অচিরেই এই রাস্তাটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্থানীয়দের মতে, এভাবেই নিয়মিত মাঠে নেমে কাজের মান ও সময়সীমা খতিয়ে দেখার কারণেই কল্যাণপুর–প্রমোদনগর এলাকায় উন্নয়নের কাজ দৃশ্যমান হচ্ছে। উন্নয়ন যে কাগজে নয়, মাটিতে—তা নিশ্চিত করতেই বিধায়কের এই সরাসরি নজরদারি, এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।
