জাতীয় ডেস্ক, অন্ধ্রপ্রদেশ, ২৩ জুলাই ৷৷ সফল উৎক্ষেপণ হল চন্দ্রযান-২-এর। সোমবার (২২শে জুলাই, ২০১৯) দুপুর ২টো ৪৩ মিনিটে দেশের অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে চাঁদের পথে পাড়ি দিল ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রযান। মাত্র ১৬ মিনিটের উড়ানের শেষে মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে চন্দ্রযানকে পৌঁছে দেয় রকেট বাহুবলী। জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভিহেকেল(GSLV) মার্ক থ্রি-এর মাধ্যমে চাঁদে পাঠানো হচ্ছে চন্দ্রযান-২। জানা যায়, লঞ্চ ভিয়েকেল-এ থাকছে একটি অর্বিটার, বিক্রম নামের একটি ল্যান্ডার এবং রোভার প্রজ্ঞান। বিজ্ঞানিরা জানান, সেপ্টেম্বরে পৌঁছনো যাবে চাঁদের বুকে। চন্দ্রযান-২-এর অভিযানে খরচ পরেছে প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা। জানা যায়, সম্পূ্র্ণ ভারতে বানানো চন্দ্রযান-২-এর ওজন ৩.৮ টন। অর্বিটারটি চন্দ্রপৃষ্ঠের ও চাঁদের খনিজের ছবি তুলবে ও ম্যাপিং করবে। ল্যান্ডার অংশের ওজন ১,৪৭১ কিলোগ্রাম। চাঁদের ভূমিকম্প ও চাঁদের তাপমাত্রা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ করবে এটি। পাশাপাশি প্রজ্ঞান নামের ২৭ কিলোগ্রামের ছয় চাকার চলমান যানের মাধ্যমে চাঁদের মাটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। মূলত, চাঁদের দক্ষিণ প্রান্তে পর্যবেক্ষণ চালাবে প্রজ্ঞান। ১৪ দিন ধরে চাঁদের আধ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সফর করবে এই রোভার। এই অভিযানে সফল হলে চাঁদের মাটিতে যান পাঠানো দেশগুলির তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে ভারতের নাম। ইসরোর চেয়ারম্যান ডঃ কে শিভান বললেন, “চাঁদের যে অংশে এই যান যাবে, সেখানে এর আগে কোনও দেশের যান পৌঁছতে পারেনি। মহাকাশবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভারতের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে এই অভিযান” বলে জানান তিনি। এদিন চন্দ্রযান-২-এর সফল উৎক্ষেপণ দেখতে শ্রীহরিকোটাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭ হাজার ৫০০ দর্শক।চাঁদের পথে চন্দ্রযান-২, দেশ জুড়ে খুশির হাওয়া
জাতীয় ডেস্ক, অন্ধ্রপ্রদেশ, ২৩ জুলাই ৷৷ সফল উৎক্ষেপণ হল চন্দ্রযান-২-এর। সোমবার (২২শে জুলাই, ২০১৯) দুপুর ২টো ৪৩ মিনিটে দেশের অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে চাঁদের পথে পাড়ি দিল ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রযান। মাত্র ১৬ মিনিটের উড়ানের শেষে মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে চন্দ্রযানকে পৌঁছে দেয় রকেট বাহুবলী। জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভিহেকেল(GSLV) মার্ক থ্রি-এর মাধ্যমে চাঁদে পাঠানো হচ্ছে চন্দ্রযান-২। জানা যায়, লঞ্চ ভিয়েকেল-এ থাকছে একটি অর্বিটার, বিক্রম নামের একটি ল্যান্ডার এবং রোভার প্রজ্ঞান। বিজ্ঞানিরা জানান, সেপ্টেম্বরে পৌঁছনো যাবে চাঁদের বুকে। চন্দ্রযান-২-এর অভিযানে খরচ পরেছে প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা। জানা যায়, সম্পূ্র্ণ ভারতে বানানো চন্দ্রযান-২-এর ওজন ৩.৮ টন। অর্বিটারটি চন্দ্রপৃষ্ঠের ও চাঁদের খনিজের ছবি তুলবে ও ম্যাপিং করবে। ল্যান্ডার অংশের ওজন ১,৪৭১ কিলোগ্রাম। চাঁদের ভূমিকম্প ও চাঁদের তাপমাত্রা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ করবে এটি। পাশাপাশি প্রজ্ঞান নামের ২৭ কিলোগ্রামের ছয় চাকার চলমান যানের মাধ্যমে চাঁদের মাটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। মূলত, চাঁদের দক্ষিণ প্রান্তে পর্যবেক্ষণ চালাবে প্রজ্ঞান। ১৪ দিন ধরে চাঁদের আধ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সফর করবে এই রোভার। এই অভিযানে সফল হলে চাঁদের মাটিতে যান পাঠানো দেশগুলির তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে ভারতের নাম। ইসরোর চেয়ারম্যান ডঃ কে শিভান বললেন, “চাঁদের যে অংশে এই যান যাবে, সেখানে এর আগে কোনও দেশের যান পৌঁছতে পারেনি। মহাকাশবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভারতের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে এই অভিযান” বলে জানান তিনি। এদিন চন্দ্রযান-২-এর সফল উৎক্ষেপণ দেখতে শ্রীহরিকোটাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭ হাজার ৫০০ দর্শক।