বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৩ জুন ৷। করোনা ভাইরাসের প্রভাবের ফলে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য শান্তিরবাজারের সব্জী, মাছ ও মাংস বাজার স্থানান্তরিত করে শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে ও নতুন মোটরস্টেন্ডের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কোনো পরিকাঠামো ছারাই বাজার স্থানান্তরিত করাতে বিপাকে পরতে হয়েছে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়কেই। সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে উঠতো বাজারের মাঠ। ব্যাবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে গত ৪ঠা জুন ‘নিউজ আপডেট অব ত্রিপুরা’তে সংবাদ প্রকাশের পর টনক লড়েছে শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের। অবশেষে মহকুা শাসকের নির্দেশ অনুসারে পূর্বের জায়গায় স্থানান্তিরত করা হয়েছে সব্জী, মাছ ও মাংস বাজার। ব্যবসায়ীরা আশাব্যক্ত করেন সেড ঘরের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে উনারা উনাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন। অপদিকে বৃষ্টির মধ্যেও উনারা ক্ষতির সন্মুখিন হবে না বলে জানান।সংবাদের জেরে পূর্বের জায়গায় ফিরে আসলো সব্জী, মাছ ও মাংস বাজার
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৩ জুন ৷। করোনা ভাইরাসের প্রভাবের ফলে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য শান্তিরবাজারের সব্জী, মাছ ও মাংস বাজার স্থানান্তরিত করে শান্তিরবাজার দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে ও নতুন মোটরস্টেন্ডের মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কোনো পরিকাঠামো ছারাই বাজার স্থানান্তরিত করাতে বিপাকে পরতে হয়েছে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়কেই। সামান্য বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে উঠতো বাজারের মাঠ। ব্যাবসায়ীদের সমস্যা নিয়ে গত ৪ঠা জুন ‘নিউজ আপডেট অব ত্রিপুরা’তে সংবাদ প্রকাশের পর টনক লড়েছে শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের। অবশেষে মহকুা শাসকের নির্দেশ অনুসারে পূর্বের জায়গায় স্থানান্তিরত করা হয়েছে সব্জী, মাছ ও মাংস বাজার। ব্যবসায়ীরা আশাব্যক্ত করেন সেড ঘরের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে উনারা উনাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন। অপদিকে বৃষ্টির মধ্যেও উনারা ক্ষতির সন্মুখিন হবে না বলে জানান।