বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৭ অক্টোবর || মুখ্যমন্ত্রী স্বনির্ভর যোজনার মাধ্যমে লোকজনদের আর্থিক সাবলম্বী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই পরিকল্পনাগুলি বাস্তবায়িত করতে কৃষি, মৎস্য, বন ও প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিগতদিনেও প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের উদ্দ্যোগে শুকরের ছানা বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে বুধবার জোলাইবাড়ী ব্লকে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে জোলাইবাড়ী ব্লকের অধীনে ৮টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ৪১ জন বেনিফিসারী নির্ধারন করে উন্নতমানের হাঁসের বাচ্চা প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পে প্রতিজন বেনিফিসারীর জন্য ১৩০০ টাকা ব্যায় করা হয়েছে। যার মধ্যে ১০টি হাঁসের বাচ্চা, ২ কেজি হাঁসের রেশন সামগ্রী ও একটি বাঁশের খাঁচা প্রদান করা হয়েছে। এই হাঁস পালন নিয়ে প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধীকারিকরা জানান, হাঁস পালনে বিশেষ করে জলের প্রয়োজন হয়। এই হাঁস জল ছারাও পালন করা যায় বলে জানান প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিকরা। উনারা জানান, এই হাঁস অল্প সময়ের মধ্যে ডিম পারা শুরু করে এবং বছরের অধীকাংশ সময় হাঁস ডীম পারে বলে জানান। উনারা আগামীদিনে এই যোজনায় পুনরায় বেনিফিসারী নির্ধারন করে ছাগল ও মুরগী বিতরণ করবে বলে জানান। এই সমগ্র অনুষ্ঠান সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান জোলাইবাড়ী ব্লকের এগ্রিস্টেন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান বিকাশ বৈদ্য। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জোলাইবাড়ী ব্লকের বি এস সি চেয়ারম্যান অশোক মগ, জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রবি নমঃ, ব্লকের এগ্রিস্টেন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান বিকাশ বৈদ্য, বিশিষ্ট সমাজসেবী অজয় রিয়াং সহ প্রানীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিকরা।
