সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ১২ জুলাই || তেলিয়ামুড়া উত্তর কৃষ্ণপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নেশা কারবারি এবং নেশা সেবনকারীদের রমরমা চলছে। এর থেকে রেহাই পাচ্ছে না এই এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে উঠতি বয়সের যুবক যুবতীরা। বহুবার এই এলাকার নেশা কারবারি ও নেশা সেবনকারীদের সচেতন মহল থেকে নিষেধাজ্ঞা করলেও একাংশ নেশা কারবারীরা এই নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে রমরমা ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ব্যবসা। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে এক সচেতন নাগরিক মানিক নমঃ দাস তাদের এই বিষয়ে বারন করাকে কেন্দ্র করে তিন ড্রাগস নেশা সেবনকারী যুবক মানিক নমঃ দাসকে রবিবার রাত্রি নাগাদ বেধরক মারধর করে অভিযোগ। এরপর কোন রকমে প্রাণে বেঁচে গিয়ে এই ব্যক্তি পাশের এক বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তী সময়ে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে যে বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল সেই বাড়িতে গিয়েও তিন দুষ্কাতিকারীরা তার উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাত্রিতে এই আক্রান্ত যুবক তেলিয়ামুড়ায় থানায় এসে হামলাকারি তিন দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে নাম ধাম দিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ সংবাদ লেখা পর্যন্ত এদের কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এক্ষেত্রে পুলিশের দায়িত্ব কর্তব্য নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সচেতন মহলে। ইদানিং কালে তেলিয়ামুড়া থানায় নবাগত ওসি সুবিমল বর্মণ আসার পর নেতা ও প্রভাবশালী মহলের টোলপি বাহক গিরিতে শিরোপা অর্জন করে নিয়েছে তেলিয়ামুড়া থানা। এমনটাই থানা সূত্রে খবর ।
