দেবজিত চক্রবর্তী, আগরতলা, ১২ ফেব্রুয়ারী ।। বিদায়ের সময় প্রায় সমাগত, চলে গেছে বলা যাচ্ছেনা। আজ্ঞে হ্যাঁ শ্রদ্ধেয় পাঠক বন্ধুরা – বলছি প্রকৃতি থেকে শীতের রিটার্ন টিকিটে ফিরে যাওয়ার কথা। এই মুহূর্তের শীতের আমেজ অনুভূতি কিন্তু একেবারেই ভিন্ন স্বাদের, সূর্যদেব টেম্পার বাড়াচ্ছেন বোঝাই যাচ্ছে আবার তার মধ্যেই যখন হঠাৎ ফুরফুরে ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগছে হৃদয় যেন বলতে চাইছে – আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে। সেই আনন্দ বার্তা নিয়ে আবার উপস্থিত আগরতলা বইমেলা – বই আসক্তরা কিন্তু অনেকেই দিনের রোজনামচা এদিক সেদিক করে উমাকান্তের বই ভুবনে সময় কাটানোর ছক তৈরী করে ফেলেছেন। বিদগ্ধ পন্ডিত, জ্ঞানী গুনী জন, কবি সাহিত্যিক আর বই পোকারা সব প্রস্তুতি নিয়ে তৈরী শুভ শঙ্খ নিনাদে কখন শুরু হবে বইমেলা অন্যদিকে আমাদের হরিধন দা আর হরিধন দা’র বউ প্রচন্ড ব্যস্ত – কেন?
১৩ই ফেব্রুয়ারী যখন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী বইমেলার উদ্বোধন করবেন তখন সেখানে বরাবরের মতো ঝালমুড়ি, চানাচুর নিয়ে হাজির থাকবেন হরিধন দা। বই মানুষের বন্ধু, সেই মানুষদের কাছে ঝালমুড়ি, চানাচুর বিক্রি করে দু’পয়সা বাড়তি রোজগার হবে অনেক হারিধনের বংশধরদের – বুদ্ধিজীবি, সেলিব্রেটি, বই পিপাসু মানুষ আর হরিধন দার মতো মানুষদের কাছে বইমেলার অর্থ একেকরকম।
১৩ থেকে ২৪শে ফেব্রুয়ারী উমাকান্ত প্রাঙ্গনের বইমেলা আবার উদ্ভাসিত হবে চিরচেনা রুপে, মানুষের মিলন মেলার আবহমান কালের এই ছবিতেই আগরতলা বইমেলার পূর্ণ সার্থকতা। বইমেলায় মানুষের ভীড়ে এবার একটা মানুষের অনুপস্থিতি সবার হৃদয়ে ক্ষনিকের বিয়োগ ব্যাথার তাড়িত করবে – তিনি সদ্য প্রয়াত কবি মন্ত্রী অনিল সরকার।
