সমালোচনায় বিশ্বকাপে দেয়া বিগ বির দেয়া রোমান্টিক ডায়লগ

amiতারায় তারায় ডেস্ক ।। আইসিসি দেয়া সিডিউলে বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচের দিনক্ষণ দেখেই এ ম্যাচে ধারাভাষ্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন অমিতাভ বচ্চন। এর পরে তিনি ধারাভাষ্য শিখতে গিয়ে বেশ জটিলতায় পড়েন। যেভাবেই হোক ডায়লগতো রপ্ত করেন তিনি। আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে কপিল দেবেরে সাথে বেশ রসিকতার ছলেই ডায়লগ দেন তিনি।
ম্যাচের উত্তেজনায় হয়তো অমিতাভের ডায়লগের বিষয়টি অনেকের হয়তো মনে পড়ে নি। তবে তার ডায়লগের বেশ কিছু বিষয় জানাতেই এই প্রতিবেদন। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে চোখ দিলে সারা ভারতের মানুষের মনের কথা বোঝা যাচ্ছে৷ দীর্ঘ ৪৫ বছরের ক্যারিয়ারে এতটা সমালোচনার সামনে বিগ বি পড়েছেন কি না সেটা নিয়েও এখন প্রশ্ন।

ম্যাচের শেষে অমিতাভকে ফের পাওয়া গেল টুইটারে৷ যেখানে বলেছেন, ‘১৫ ফেব্রুয়ারি আমার জীবনের ঐতিহাসিক দিন৷ ৪৬ বছর আগে ১৯৬৯ সালে আমার প্রথম সিনেমার জন্য সই করেছিলাম৷’
তারপরই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতীয় টিমকে৷ সঙ্গে ঘোষণা, ‘আমার মনে হয় আরও বেশি ধারাভাষ্য দেওয়া উচিত৷’ বিকেলে দাবি তুলেছেন, ‘বলেছিলাম ভারত ৩০০ করবে, মিলেছে৷’ ধোনিরা জেতার পর লেখেন, ‘দ্বিতীয় ভবিষ্যদ্বাণীও মিলে গেল৷’

ঠিক কী রকম ছিল বিগ বি-র ধারাবিবরণী? শিখর ধাওয়ানকে দেখে বলেন, ‘ওর ফুটওয়ার্কে একটু সমস্যা আছে৷’ পরে স্কোয়ার কাটে বাউন্ডারি দেখে অমিতাভ বলে উঠলেন, ‘ধাওয়ান স্কোয়ারের দিকে খুব শক্তিশালী৷’ সঙ্গে সঙ্গে অরুণলালের মস্করা, ‘আপনি এই রকম টেকনিক্যাল কথা-বার্তা বললে আমাদের অন্য কোনো চাকরি খুঁজতে হবে৷’
কখনও বলছিলেন, মুহম্মদ ইরফানের মতো লম্বা পেসাররা কী রকম সুবিধা পেতে পারেন৷ ধারাভাষ্য শুরু করেই ইরফান বড় লম্বা প্লেয়ার বলে৷ একবার ওভার দ্য উইকেটের সঙ্গে গুলিয়ে ফেললেন রাউন্ড দ্য উইকেট৷

তখনই তাকে শুধরে দেন কপিল দেব৷ হট সিটে বসার আগে অমিতাভ আলাদা করে কথা বলেছিলেন কপিল এবং হর্ষ ভোগলের সঙ্গে৷ ধারাবিবরণী দিতে কী দরকার হয়৷ মুগ্ধ রাহুল দ্রাবিড় তাকে প্রশ্ন করেন, আপনার এই বয়সে মোটিভেশন কী? অমিতাভের উত্তর, ‘জীবনে তৃপ্ত হবেন না৷’
বাকি বেশ কিছু সময়ে শোনা গেল, অমিতাভের প্রথম ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার গল্প৷ ফিরোজ শাহ কোটলার সেই ম্যাচে অমিতাভ যাদের দেখেছিলেন তাদের মধ্যে তিন জনের নাম করলেন– পাকিস্তানের ফজল মাহমুদ, ভারতের রমাকান্ত দেশাই ও পলি উমরিগড়৷ কখনও বলছিলেন তার প্রিয় ক্রিকেটার– সুনীল গাভাসকর ও শচীন তেন্ডুলকরের কথা৷

তার ধারাভাষ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের দু-একটা মন্তব্য দেখলে বোঝা যাবে, কতটা জনপ্রিয় হতে পেরেছেন! কেউ বলেছেন, ‘অমিতাভ ধারাভাষ্য দিচ্ছিলেন না৷ উনি ইন্টারভিউ দিচ্ছিলেন, যার সরাসরি সম্প্রচার হচ্ছিল৷’ কেউ লিখেছেন, ‘এর থেকে টুইটে মন্তব্য লিখতে পারতেন৷ ধারাভাষ্যে ওঁকে তো মিউটও করতে পারছি না৷’ এগুলো নমুনা মাত্র৷ এ রকম মন্তব্যে ভরে উঠেছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট৷
আবার উল্টো দিকও আছে৷ কিছু সাধারণ ভক্ত যেমন তার প্রশংসা করেছেন, তেমন বলিউডের তারকারাও৷ তথ্য সূত্র: এই সময়

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*