সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০৯ মার্চ || পারিবারিক কোনো এক ঝামেলাকে কেন্দ্র করে ফাঁসিতে আত্মঘাতী প্রেমানন্দ দাস নামের এক ব্যাক্তি। ঘটনা তেলিয়ামুড়া থানাধীন কালীটিলা এলাকায়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে মরিয়া তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ।
সংবাদে জানা যায়, বুধবার বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিল প্রেমানন্দ দাস। বৃহস্পতিবার সকালে প্রেমানন্দ দাসের স্ত্রী দেখতে পায় বাড়ির ছাদের রডের মধ্যে গামছা পেঁচিয়ে প্রেমানন্দ দাস গলায় ফাঁস লাগায়। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে বাড়ির অন্যান্য সদস্য সহ এলাকাবাসীরা ছুটে এসে প্রত্যক্ষ করে ঐ ব্যাক্তি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়। পরবর্তীতে ঘটনার খবর পাঠানো হয় তেলিয়ামুড়া থানায়।তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত না করেই ডুমের হাত ধরে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে মৃতদেহটি ময়না তদন্ত করাতে।
এলাকা সূত্রে জানা গেছে, আত্মঘাতী প্রেমানন্দ দাস নামের ঐ ব্যাক্তি বিবেকানন্দ দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরেই নাকি উনার স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না, প্রায়শই স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। এমনকি প্রেমানন্দের বিরুদ্ধে তার শ্বশুরবাড়ি ও স্ত্রীর পক্ষ থেকে থানায় বধূ নির্যাতনের মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
এদিকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে থেকে অন্যান্য আত্মহত্যার ঘটনা গুলির মতোই প্রেমানন্দ দাসের আত্মহত্যার ঘটনাটি পুলিশ সঠিক তদন্ত না করেই দায়িত্ব খালাস করবে না তো? এদিকে আরও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে তেলিয়ামুড়া থানা কর্তব্যরত এস.আই রতন ভট্টাচার্যও কি একই কায়দা অবলম্বন করবেন?
