বীণাপাণি গ্রামকে রাজ্যের মধ্যে একটি জৈবিক গ্রামে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছেঃ যুব বিকাশ কেন্দ্র

আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৭ ফেব্রুয়ারী || গান্ধীবাদী যুব সংগঠন যুব বিকাশ কেন্দ্র (YVK) পশ্চিম ত্রিপুরার অন্তর্গত জিরানিয়া আর.ডি. ব্লকের বীণাপাণি গ্রামে একটি সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার সমন্বিত কৃষি প্রকল্প ২০২৩-২৪ চালু করে। ভারত সরকারের জাতীয় কৃষি এবং গ্রামীণ বিকাশ ব্যাংক (নাব্যার্ড) এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যুব বিকাশ কেন্দ্রকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছে। মঙ্গলবার নাব্যার্ডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (DGM) দিগন্ত কুমার দাস এই সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাব্যার্ডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (DGM) দিগন্ত কুমার দাস আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রচার এবং গ্রামীণ সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নয়নে সমন্বিত কৃষির গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি এই ধরনের উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য নাব্যার্ডের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের সফলতায় তার আস্থা প্রকাশ করেন।
জানা যায়, এই এক বছরের প্রকল্পটি বীণাপাণি গ্রামের ৩০ জন কৃষককে সমন্বিত কৃষি পদ্ধতি বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ এবং সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত করার লক্ষ্যে গড়ে উঠেছে। এই পদ্ধতিগুলি একক খামারে ফসল চাষ, পশুপালন এবং মৎস্য চাষের মতো বিভিন্ন কৃষি কার্যক্রমকে একত্রিত করে সম্পদ দক্ষতা এবং পরিবেশগত টেকসই উন্নীত করে।
এদিন যুব বিকাশ কেন্দ্রের অন্যতম সদস্য প্রতিমা দেববর্মা, সুজয় মজুমদার, দিপ্তন দেববর্মা এবং স্যাভিয়ার দেববর্মা এই অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী কৃষি অধিকর্তা অরুণা রায়, নাব্যার্ডের এ জি এম রাজেশ খান্ডেকার, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান ড. গণেশ দাস, কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানী দেবাশিস দত্ত, মনিষ দেবনাথ, লক্ষ্মী চরণ দেববর্মা এবং যুব বিকাশ কেন্দ্রের সভাপতি দেবাশীষ মজুমদার প্রমুখ।
যুব বিকাশ কেন্দ্রের সভাপতি দেবাশীষ মজুমদার জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বীণাপাণি গ্রামকে ত্রিপুরা রাজ্যের মধ্যে একটি জৈবিক গ্রামে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং আগামী দিন যেন এটি একটি পরিদর্শন কেন্দ্রের রূপ নিতে পারে তার জন্য যুব বিকাশ কেন্দ্র নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*