সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০৪ মার্চ || প্রশাসনিক বৈঠক এবং পদক্ষেপ গ্রহন করার প্রতিশ্রুতি কেবল কাগজে কলমেই রয়ে গেল। প্রসঙ্গ বন্য হাতির তাণ্ডব কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকায় কয়েকটি গ্রামের মানুষ দীর্ঘ বছর ধরে বন্য হাতির আক্রমণের শিকার হয়ে আসছে। প্রায় কিছুদিন পর পর লাগাতর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক, বাড়িঘর ভাংচুর সহ সম্পদ নস্ট করার ঘটনা নতুন কিছুনা। হাতির আক্রমণের শিকার হয়ে প্রাণ হানীও ঘটে গেছে। দপ্তর কেবল ব্যবস্থা গ্রহন করার প্রতিশ্রুতিই দেয় কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে তার প্ররিফলন আর ঘটেনা। এমন অভিযোগ তুলল ফের হাতির আক্রমণের শিকার হওয়া ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ। এবার প্রাণ গেল গবাদি পশুর। ভেঙ্গে দিল বিয়ে বাড়ির প্যান্ডেল সহ নানা সামগ্রী। ঘটনা সোমবার ভোর ৪টা নাগাদ কৃষ্ণপুর এলাকায়।
প্রতিনিয়ত হাতির আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পেতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী সহ অন্যান্যরা বিভিন্ন আন্দোলন, ডেপুটেশন, পথ অবরোধ ইত্যাদি সংঘটিত করে নানান সময়ে। সেই সময়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাময়িক ভাবে পরিস্থিতি সাধারণ করে দপ্তর ও প্রশাসনের আধিকারিকগণ। এরপর আর কিছুই করতে দেখেন না সাধারণ মানুষেরা। বিগত কিছুদিন পূর্বেও খোয়াই জেলার জেলাশাসকের পৌরহিত্যে জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এক প্রশাসনিক বৈঠকে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তব বলে অন্য কথা। যার ফল সরুপ রবিবার রাতে গবাদি পশুর মৃত্যু, সম্পদ নস্ট করার ঘটনা উঠে আসল। যদিও ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার সকাল নাগাদ তেলিয়ামুড়া বন দপ্তরের রেঞ্জার এবং কর্মিরা ঘটনাস্থলে পৌছান। কিন্তু একাবাসিদের অভিযোগ প্রতিবারই ঘটনার পর উনারা আসেন সহযোগিতা এবং সমাধানের আশ্বাস দেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়না।
এদিকে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহন করার দাবীতে এলাকবাসীরা পথ অবরোধ করে বসে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন মহকুমা বন আধিকারিক, মহকুমা শাসক অফিসের ডি. সি. এম. তহশিল দার সহ অন্যান্যরা। শেষে এখন থেকে প্রতি রাতে বন দপ্তরের কর্মিরা এবং এডি.এস এর সদস্যরা টহল দারিতে থাকবে। এছাড়াও সোমবার ভোরের ঘটনায় ক্ষতিপুরন আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস পেয়ে এলাকবাসীরা পথ অবরোধ মুক্ত করে বলে জানা যায়।
