আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। দক্ষিণ কোরিয়ার পর মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (মার্স) ভাইরাসের প্রথম সংক্রমণের ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছে থাই কর্তৃপক্ষ বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম বিবিসি। যদিও মার্স ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার ব্যক্তিটির নাম প্রকাশ করা হয়নি কিন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, তাকে রাজধানী ব্যাংককের বাইরে একটি পৃথক স্থানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। থাই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, ৭৫ বছর বয়সি এই রোগী ওমান থেকে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড এসেছিলেন। তার সংস্পর্শে আসা প্রায় ৬০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে তার তিনজন আত্মীয়ও রয়েছে। থাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজাতা রাজাতানাভিন অযথা আতংকিত না হতে জনগণের প্রতি আহ্বান করেন।
তিনি বলেন, সংক্রমণের শিকার ব্যক্তিটিকে তার আত্মীয় সহ প্রথম থেকেই পৃথক স্থানে রাখা হয়েছে। আমরা প্রস্তুত আছি এবং বিষয়টিকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের রোগীদের প্রিয় মেডিকেল পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে থাইল্যান্ড জনপ্রিয়।
এদিকে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়া জানায়, এই পর্যন্ত মার্সের সংক্রমণে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, ১৬৬ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে এবং হাজারখানেক মানুষকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্যে প্রথমবারের মতো মার্স ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। করোনা ভাইরাসের কারণে এই রোগের সৃষ্টি হয়। কিভাবে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয় সে ব্যাপারে নিশ্চিত জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, সংক্রমণের শিকার ব্যক্তির হাঁচি এবং কাশি থেকে এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগের শিকার মানুষের জ্বর, কাশি এবং তীব্র শ্বাস কষ্ট হয়। এখনো পর্যন্ত এর প্রতিষেধক আবিস্কৃত হয়নি।
