উন্নত প্রযুক্তিতে রাস্তা নির্মাণে নতুন দৃষ্টান্ত শান্তিরবাজার পূর্ত দপ্তরের

বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২১ জানুয়ারি || উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাস্তা নির্মাণের কাজে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল শান্তিরবাজার পূর্ত দপ্তর। শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সঠিকভাবে ও গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পূর্ত দপ্তর।
পূর্ত দপ্তরের এসডিও প্রবীর বরন দাস নিয়মিত কাজের তদারকি করছেন এবং কোথাও অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন বলে জানা গেছে। এরই অংশ হিসেবে এবার আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে পরিবেশবান্ধব উপায়ে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পূর্ত দপ্তরের উদ্যোগে শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের গোবিন বাড়ী থেকে অনুরাম পাড়া পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এই রাস্তা নির্মাণে ব্যবহৃত হচ্ছে উন্নতমানের প্রযুক্তি, যেখানে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকজাত বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে। দক্ষিণ ত্রিপুরায় এই প্রথমবারের মতো এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলো বলে পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
মঙ্গলবার রাস্তা নির্মাণের কাজ পরিদর্শনে যান শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, পূর্ত দপ্তরের এক্সিকিউটিভ পর্ব কুমার ত্রিপুরা, এসডিও প্রবীর বরন দাস, ইঞ্জিনিয়ার অমলেন্দু মজুমদার সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। জানা যায়, এই রাস্তা নির্মিত হলে এলাকার প্রায় আটটি পাড়ার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
এই প্রকল্পে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। পরিদর্শনকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এক্সিকিউটিভ পর্ব কুমার ত্রিপুরা জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তিনি পূর্বে কলকাতায় বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তাঁর মতে, এই প্রযুক্তি ব্যবহারে রাস্তার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে এবং রাস্তার স্থায়িত্ব দীর্ঘমেয়াদি হবে।
বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং জানান, বিগত বাম আমলে এই এলাকার মানুষ যাতায়াত ও পানীয় জলের সমস্যায় ভুগতেন। বর্তমান সময়ে রাজ্য সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শান্তিরবাজার এলাকায় একের পর এক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। গোবিন বাড়ী এলাকায় এই রাস্তা নির্মাণ শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*