বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৬ মার্চ ৷। বগফা কৃষিদপ্তরের উদ্যোগে বিগত ৬ সপ্তাহ যাবৎ বিভিন্ন প্রকারের প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ফার্মাস স্কুলের মধ্যদিয়ে আত্মা প্রকল্পে টি পি এস টু টিউবারলেট আলু চাষ সম্পর্কে প্রশিক্ষন প্রদান করেন। শুক্রবার প্রশিক্ষনের সমাপ্তিদিনে কৃষকদের মাঠে নিয়ে ক্রপ কার্ট এর মধ্যদিয়ে প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। এদিন পৃথকভাবে দুইটি জায়গায় মাঠে গিয়ে ক্রপ কার্ট করা হয়। এই সমাপ্তিদিনে প্রশিক্ষনে কৃষকদের সঙ্গে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বগাফা কৃষি দপ্তরের আধিকারিক দেবাশিষ পাল, শান্তিরবাজার পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ দাস, পৌর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সত্যব্রত সাহা, শান্তিরবাজার এগ্রি সেক্টরের সেক্টর অফিসার শান্তুনু মজুমদার প্রমুখ। মাঠে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে কৃষি আধিকারিক দেবাশিষ পাল জানান, আত্মা প্রকল্পের মধ্যদিয়ে বগাফা কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে আলু চাষের টি পি এস টু টি উবারলেট আলুচাষ সম্পর্কে প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে। তার পাশাপাশি অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যদিয়েও দপ্তর কৃষদের বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে। এরমধ্যে আজ কৃষকদের ক্রপকার্ট এরমধ্যদিয়ে মাঠের মধ্যেই প্রশিক্ষন দেওয়াহচ্ছে। অপরদিকে শান্তুনু মজুমদার উনার বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানান, আত্মা প্রকল্পে কৃষদের আলু চাষের জন্য এক লক্ষ ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। এছারা কৃষদের উৎপাদিত আলুর বীজ অন্যান্যবারের ন্যায় এইবারেও সরকারিভাবে ক্রয় করা হবে। তিন জানান, আজকের সমাপ্তিদিনে কৃষকদের কৃষিজ জমিতে ২৫ স্কয়ারমিটার জায়গা ক্রপকার্ট করা হয়েছে। যার মধ্য থেকে ৭০ কেজি আলুর বীজ উৎপাদন হয়েছে। হিসাব করে দেখা যায় কৃষদের এইবারকার উৎপাদিত আলুর বীজ প্রতি স্কয়ার মিটারে ২ দশমিক ৮ কেজি উৎপাদন হয়েছে। যার উৎপাদন এক হেক্টরে ২৮ হাজার কেজি টি পি এস আলুর বীজ উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। এই আত্মা প্রকল্পে মোট ২৫ জনকে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়। যার মধ্যে উত্তর পাটারি এসিভার ফার্মাস রয়েছে। বগাফা কৃষি দপ্তরের আওতায় মোট ২৫ কানি জায়গা টি পি এস টু টিউবারলেট আলুর চাষ করা হয়েছে। এইদিকে কৃষদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্যান্যবারের তুলনায় এইবার আলুর বীজের ফলন ভালো হয়েছে।