সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২১ জুলাই ৷। আবারও রাতের অন্ধকারে বন্যহাতির তান্ডব। ঘটনা তেলিয়ামুড়া থানাধীন কৃষ্ণপুর বিধানসভার অন্তর্গত অফিস টিলা ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকায়। জানা যায়, সোমবার রাত ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ সুধীর বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির রান্না ঘর ভেঙে ফেলে বন্যহাতি। রাত ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একটি বন্যহাতি তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী তাদের রাতের ঘুম পর্যন্ত কেড়ে নেয়। রান্নাঘর থেকে শুরু করে বসতবাড়ি-ঘরও ভাঙচুর করে বন্যহাতির দল। প্রায় প্রতিদিনই হাতিগুলো তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, বন দপ্তরে অনেক বার ফোন করে এলাকার যুবকরা। তবে আসবে বলেও বদ কর্মীদের দেখা পায়নি এলাকাবাসী বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করে যাওয়ার পর ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে কর্মরত ফরেস্ট বাবুরা আসেন। বন দপ্তরের এহেন উদাসিনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা।বন্যহাতির তান্ডবে লন্ডভন্ড বাড়িঘর, বন কর্মীদের উদাসিনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২১ জুলাই ৷। আবারও রাতের অন্ধকারে বন্যহাতির তান্ডব। ঘটনা তেলিয়ামুড়া থানাধীন কৃষ্ণপুর বিধানসভার অন্তর্গত অফিস টিলা ৪নং ওয়ার্ড সংলগ্ন এলাকায়। জানা যায়, সোমবার রাত ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ সুধীর বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির রান্না ঘর ভেঙে ফেলে বন্যহাতি। রাত ৯টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একটি বন্যহাতি তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী তাদের রাতের ঘুম পর্যন্ত কেড়ে নেয়। রান্নাঘর থেকে শুরু করে বসতবাড়ি-ঘরও ভাঙচুর করে বন্যহাতির দল। প্রায় প্রতিদিনই হাতিগুলো তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, বন দপ্তরে অনেক বার ফোন করে এলাকার যুবকরা। তবে আসবে বলেও বদ কর্মীদের দেখা পায়নি এলাকাবাসী বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করে যাওয়ার পর ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে কর্মরত ফরেস্ট বাবুরা আসেন। বন দপ্তরের এহেন উদাসিনতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা।