বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১১ মার্চ || অনলাইন প্রতারণা চক্রে জড়িত ১২ জন হ্যাকারকে দেওঘর থেকে ত্রিপুরায় এনে বিলোনিয়া জেলা ও দায়রা আদালতে পাঠায় সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ঘটনায় জানা যায়, ২০২০ সালের ১লা নভেম্বর শান্তিরবাজার থানায় একটি মামলা করে নরেশ বিশ্বাস নামে এক আর্মি অফিসার। উনি কর্মসূত্রে কাশ্মীরে ছিলেন। কাশ্মীর থেকে নিজ বাড়ীতে আসার জন্যে ইন্ডিগো বিমানের টিকিট কাটে। সে টিকিট করোনার কারণে বাতিল হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য উনি ইন্ডিগোর কাস্টমার কেয়ারে ফোন করেন এবং সেখান থেকে একটি ক্রেডিট অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে বলা হয়। সে মোতাবেক উনি ক্রেডিট অ্যাপস ডাউনলোড করেন এবং কথোপকথনে মা যা প্রয়োজনিয় তিনি তাদের কথামতো তা তা করতে থাকেন। কিন্তু এরই মাঝে উনার একাউন্ট থেকে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার ৫৩৪ টাকা বিভিন্ন ভাবে কেটে নেয়। সে প্রতারণার বিরুদ্ধে উনি শান্তিরবাজার থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর ৬০/২০২০ ধারা ৪২০/১২০/১৬৬/ ইনফরমেশন টেকনোলজি এক্ট ধারায় পুলিশ মামলা নিয়ে ঘটনার তদম্ত করে। পরবর্তী সময়ে পুলিশ সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠায়। সেখানে সাইবার ক্রাইমের পুলিশ অফিসার বেনজাম দেওয়ান এর নেতৃত্বে ঘটনার তদন্ত করে একটি মাত্র মোবাইল নাম্বার সেখানে পাওয়া যায়। সেই নাম্বারে সূত্র ধরে সাইবার ক্রাইম ব্রাঞ্চ ঝাড়খণ্ডের জেল থেকে ১৩ জন প্রতারককে বিলোনিয়াতে নিয়ে আসে এবং বুধবার বিলোনিয়া জেলা ও দায়রা আদালতে পাঠায়। পুলিশ আদালতে ৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের দাবি করে আদালত ৯ এবং ১০ই মার্চ পুলিশ রিমান্ডে পাঠায় ১২ জনকে, এর মধ্যে ৬ জনকে বিলোনিয়া থানা এবং ৬ জনকে শান্তিরবাজার থানায় স্থানান্তর করা হয়।
শুক্রবার রিমান্ড শেষে ৬ জনকে শান্তিরবাজার থানা থেকে বিলোনিয়া জেলা ও দায়রা আদালতে প্রেরণ করা হয়।
