সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২৫ মে || তেলিয়ামুড়ার মুঙ্গিয়াকামী’তে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন হলো হাতি ক্যাম্পের। প্রদীপ প্রজ্বলন এবং ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায়। উপস্থিত ছিলেন পি.সি.সি.এফ আধিকারিক ডি.কে শর্মা, জেলা সভাধিপতি জয়দেব দেববর্মা, জেলা বন আধিকারিক জিয়া রাগুল জেসন বি সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা।
এই হাতি ক্যাম্পটি স্থাপনের মূলত উদ্দেশ্য হলো তেলিয়ামুড়া বনদপ্তরের অধীনে হাতি প্রবণ এলাকা গুলি থেকে দাঁতাল বন্যহাতি গুলোকে তাড়ানো এবং হাতি ক্যাম্পে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থিত হওয়ার কারণে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। বিগত কিছুদিন পূর্বে সিপাহীজলা অভয়ারণ্য থেকে বনদপ্তর কর্তৃক লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে মধু, মতিলাল, কিশোর এবং গীতা নামক চারটি হাতিকে নিয়ে আসা হয়েছিল এই ক্যাম্পে।
এই ক্যাম্পে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পি সি সি এফ আধিকারিক ডিসেম্বর কে শর্মা বলেন, মানবজাতি দিনের পর দিন বন্য পশুদের থাকার জায়গা গুলোতে স্থান করে নিয়েছে। আর এর ফলে বন্য পশুরা দিনের পর দিন রাস পাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মুঙ্গিয়াকামী হাতি ক্যাম্প স্থাপনের জন্য বর্তমান রাজ্য সরকারের অবদান যথেষ্ট রয়েছে। তিনি আশাবাদী বড়মুড়া ইকোপার্ক যেমন ভাবে লোক সমাগম হয়ে থাকে মুঙ্গিয়াকামি হাতি ক্যাম্পেও মানুষের সমাগম হবে।
এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধক রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায় বলেন, হাতি আমাদের বিভিন্নভাবে সাহায্য করে থাকে। তাই হাতির সংরক্ষণ করা প্রত্যেক মানুষের একান্ত প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, গাছপালা থেকে আমরা অক্সিজেন পায়। তাই বন-জঙ্গল ধ্বংস না করে বাঁচিয়ে রাখার অভ্যাস করতে হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক সংস্কৃতি অনুসারে দেব দেবীর সাথে কোন না কোন পশুপাখি রয়েছে। তাই পশুপাখিদেরও যত্ন সহকারে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
