গোপাল সিং, খোয়াই, ১২ ফেব্রুয়ারী || বাংলাদেশে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্তজুড়ে বাড়তি সতর্কতার মধ্যেই বৃহস্পতিবার খোয়াইতে রামচন্দ্রঘাট, আশারামবাড়ী বিধানসভা এলাকায় প্রভাব ফেলল সারা দেশব্যাপী ঘোষিত ১২ ঘণ্টার বনধ। ভারতের বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন ও সংযুক্ত কৃষাণ মোর্চার যৌথ আহ্বানে অনুষ্ঠিত এই ধর্মঘটের সমর্থনে সিপিআই(এম)-এর উদ্যোগে খোয়াই শহরে পিকেটিং ও মিছিল সংগঠিত হয়। কিন্তু সকাল সকাল পিকেটারদের গ্রেফতার করে ফেলে পুলিশ প্রশাসন।
বনধকে ঘিরে সকাল থেকেই খোয়াই শহর ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ ও প্রশাসন। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ ও পুলিশের যৌথ টহল জোরদার করা হয়। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
সিপিআই(এম)-এর মিছিলে অংশ নেন বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস, দলের নেতা কানন দত্ত, মনোজ দাস-সহ একাধিক বাম নেতৃত্ব। রামচন্দ্রঘাট ও আশারামবাড়ি এলাকায় বনধের আংশিক প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও, খোয়াই শহরে পরিস্থিতি ছিল তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত। প্রশাসনের কড়া অবস্থানের ফলে সকালের দিকেই অধিকাংশ পিকেটারকে গ্রেফতার করা হয়। এর জেরে বাম কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ প্রকাশ পায়।
সিপিআই(এম) নেতৃত্বদের মতে, বনধ কর্মসূচির রূপরেখা ও সংগঠনের ধরন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ভিন্নমত রয়েছে। সিপিআই(এম) নেতৃত্বের দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্য দিয়েই তাঁরা তাঁদের দাবি তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। অন্যদিকে, প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাই ছিল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
